NAVIGATION MENU

উত্তর প্রদেশে দলিত কিশোরী ধর্ষণকাণ্ডে সাসপেন্ড ৫ পুলিশ কর্মকর্তা


ভারতের উত্তর প্রদেশে হাথরাসের ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশের পুলিশ সুপারসহ ৫ কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করলো যোগী সরকার। 

গণধর্ষণ ও নির্মম অত্যাচারে দলিত তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় সাসপেন্ড করা হয়েছে হাথরাসের পুলিশ সুপার বিক্রান্ত বীর, সার্কেল অফিসার রাম শবদ, ইন্সপেক্টর দীনেশ মিনা, সাব ইন্সপেক্টর জগবীর সিং ও হেড কনস্টেবলকে।

উল্লেখ্য, গণধর্ষণ ও নির্মম অত্যাচারে মৃত দলিত তরুণীর দেহ গভীর রাতে পরিবারের অনুমতি ছাড়াই দাহ করার অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় হয়েছে ভারতজুড়ে। 

এদিন এ ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খুলে বিজেপি নেত্রী উমাভারতী বলেন, ”উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সন্দেহজনক পদক্ষেপে বিজেপির ভাবমূর্তি ধাক্কা খেয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়েছে। যেভাবে গ্রামে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে পুলিশ, তাতে সন্দেহ দানা বেঁধেছে।”

এদিন ট্যুইটারে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে ট্যাগ করে উমাভারতী লিখেছেন, ”নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক দলগুলোকে অনুমতি দিতে আমি আপনাকে অনুরোধ করছি।”

হাথরাসের ঘটনায় প্রথম থেকেই বিরোধীদের নিশানার মুখে পড়েছে যোগী সরকার। এ ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে যোগীর পদত্যাগের দাবিও উঠেছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার হাথরাসে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে বাধার মুখে পড়েন রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা। এদিন, সেখানে যেতে গেলে একই কায়দায় বাধার মুখে পড়েন ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ তৃণমূলের সাংসদরা। অন্যদিকে, নির্যাতিতার পরিবারের কাছে সংবাদমাধ্যমকেও ঘেঁষতে না দেওয়ার ছবি সামনে এসেছে।

অন্যদিকে, এদিনই ট্যুইটারে যোগী আদিত্যনাথ লিখেছেন, উত্তরপ্রদেশের মা-বোনেদের সম্মান নষ্ট যারা করবে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। সুত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

এডিবি/