NAVIGATION MENU

কক্সবাজার রোহিঙ্গা শিবিরে আগুনে পুড়ে ৩ দোকানীর মৃত্যু


সেনা অভিযানের মুখে মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাগারা বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় নিয়েছে। এবার উখিয়ায় আগুনে পুড়ে তিন রোহিঙ্গা দোকানী মারা গিয়েছে।

আজ শুক্রবার ভোরে উখিয়ার কুতুপালং বাজারে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ কাণ্ডে ৭টি কাপড়ের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে উখিয়ার ফায়ার সার্ভিসের দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহতরা হল- উখিয়ার ১০নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি-১০ ব্লকের বাসিন্দা সৈয়দ আলমের ছেলে আনছার উল্লাহ (২০), মোস্তফার ছেলে ফরিদুল ইসলাম (২৫) ও রেজাবুলের ছেলে আয়াছ (২২)। আগুনে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা গেছেন এই তিনজন।

উখিয়ার কুতুপালং বাজারে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় দগ্ধ অবস্থায় তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

তবে তদন্ত না করে পুরোপুরি বলা সম্ভব নয়।গত ২২ মার্চ উখিয়ার বালুখালীসহ পাঁচটি আশ্রয় শিবিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৬ শিশুসহ ১১ রোহিঙ্গা নিহত হয়। পুড়ে যায় প্রায় ১০ হাজার ঘর।

 এদিকে কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ষষ্ঠ ধাপের প্রথম পর্বে পাঠানো হলো আরো ২ হাজার ১২৮ রোহিঙ্গাকে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় নৌ-বাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ছয়টি জাহাজে চট্টগ্রাম থেকে রওনা হয়ে তারা ভাসানচরে পৌঁছান। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে আনুষ্ঠানিকভাবে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ভাসানচরে পৌঁছায় এক হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা।

রোহিঙ্গাদের জন্য প্রস্তুতকৃত ৭, ৮, ৯ ও ১০ নম্বর ক্লাস্টারে তাদের রাখা হয়।প্রথম ধাপে ভাসানচরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে শিশু রয়েছে ৮১০, পুরুষ ৩৬৮ জন, নারী ৪৬৪ জন। এরমধ্যে পাঁচটি ধাপে এ পর্যন্ত ১৪ হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়।

এস এস