ন্যাভিগেশন মেনু

কথিত বক্তার হামলায় চাচা হাসপাতালে


পটুয়াখালীর বাউফলে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ৭৫ বছর বয়সী এক চাচাকে মারধর করে হাসপাতালে  পাঠিয়েছেন কথিত এক ইসলামিক বক্তা। তার নাম মো. জাকির হুসাইন।  তবে তিনি নিজেকে ইসালমিক বক্তা দাবি করে নামের আগে তিনি মাওলানা মুফতি বসিয়ে থাকেন।  

রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর  ইউনিয়নের ছোট ডালিমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার ব্যক্তির নাম মো. ফারুক মুন্সী (৭৫)। তিনি বাউফল প্রেস ক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও আনন্দটিভির সাংবাদিক এম. নাজিম উদ্দিনের বাবা। এ ঘটনায় আহত ফারুক মুন্সী বাদী আটজনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

 থানায় মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  ছোট ডালিমা গ্রামের ফারুক মুন্সী (৭৫) ও তার ভাই সামছুল হক মুন্সীর (৭০)  সাথে জমিজমা  নিয়ে  দীর্ঘদিন ধরে  বিরোধ চলছে।  ঘটনার দিন সকালে  সামছুল হক মুন্সীর ছেলে জাকির হুসাইন (৪২) ও মো. জসিম  উদ্দিন (৩০)  বহিরাগত লোকজন নিয়ে চাচা ফারুক মুন্সীর ওপর  অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় লোহার রড ও লাঠিসোঠা দিয়ে পিটিে ফারুক মুন্সীকে গুরতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। 

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, জাকির নিজেকে মুফতি মাওলানা দাবি করে থাকেন। কিন্তু তিনি কোথায় পড়াশুনা করেছেন তা সবার অজানা। তার কথা বার্তা ও আচরণ উগ্র। আলেম দাবি করে বৃদ্ধ চাচাকে মারধর করায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।   

আহত ফারুক মুন্সী ছেলে বাউফল প্রেস ক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এম. নাজিম উদ্দিন বলেন, জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। আমরা মিমাংসার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলাম।  কিন্তু তারা মিমাংসায় না গিয়ে আমার বাবার ওপর হামলা চালায়।  এটা দুঃখজনক। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাকির হুসাইনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।