NAVIGATION MENU

করোনার ছোবলে একদিনেই ঝড়লো ১০১জন


বৈশ্বিক কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত ও  ‍মৃত্যুর হার প্রতিদিনই রেকড গড়ছে বাংলাদেশ।দফায় দফায় লকডাউন আরোপ করেও সংক্রমণ বা মৃত্যুর হারে লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছেনা।যা প্রচণ্ডভাবে ভাবিয়ে তুলেছে শেখ হাসিনা সরকারকে।

তিনি নিয়ম মেনে চলার আহবান জানিয়ে বলেছেন, আগে করোনার ছোবল থেকে বাঁচুন, তারপর জীবনে সব পাবেন। এদিকে দেশে অতিমারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১০১ জন।

যা দেশের ইতিহাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যু। গতকালের সবোচ্চ ৯৪ জন মত্যু ছাড়িয়ে আজ শুক্রবার উঠলো ১০১ জনে। একই সময়ে করোনা সনাক্ত হয়েছে আরও ৪ হাজার ৪১৭ জনের দেহে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ১৮২ জনে পৌঁছালো।

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত করোনা সনাক্ত হয়েছে সাত লাখ ১১ হাজার ৭৭৯ জনের দেহে। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের কথা জানায় সরকার। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে শনাক্তের হার কমতে শুরু করে।

এ বছর মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল।

কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে। কোনো দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঠিক করা কিছু নির্দেশক থেকে বোঝা যায়। তার একটি হলো রোগী শনাক্তের হার।

টানা দুই সপ্তাহের বেশি রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। এ বছর ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শনাক্তের হার ৩ শতাংশের নিচে ছিল। দুই মাস পর গত ১০ মার্চ দৈনিক শনাক্ত আবার হাজার ছাড়ায়। এরপর দৈনিক শনাক্ত বাড়ছেই।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ মার্চ বেশ কিছু বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এর মধ্যে ঘরের বাইরে গেলে মাস্কের ব্যবহার অন্যতম।

এস এস