NAVIGATION MENU

করোনায় ফের মৃত্যু বেড়েই চলেছে হুশ ফিরবে কবে


করোনায় ফের মৃত্যু বেড়েই চলেছে হুশ ফিরবে কবে।দেশে করোনা মৃত্যু সংখ্যা ফের বাড়-বাড়ন্ত। তারপরও মানুষের হুশ ফিরছে না। স্বাস্থ্যবিধির কোন  বালাই নেই।

রাস্তায় বেড়িয়ে দেখা যাচ্ছে- ৫০ ভাগ লোক মাস্ক পড়েছেন। নিজেরাও সুরক্ষিত থাকছেন, অন্যকেও ভালো রাখতে সাহায্য করছেন।৩০ ভাগ লোক মাস্ক নাকের নিচে ঝুলিয়ে রেখেছেন। দেখে মনে হয় দুল পড়েছেন।

আর বাকি ২০ ভাগ লোকের মুখে কোন মাস্ক নেই। তাদের হাটাচলায় দেখে বোঝার উপায় নেই বিশ্বজুড়ে একটা মহামারী চলছে। রাস্তায়, মোড়ে-মোড়ে অসংখ্য পুলিশ।

তারা নীরব। মাস্কহীন লোকদের ধরে শাস্তির বিধান  থাকলেও তা চরমভাবে উপেক্ষিত। মাস্কহীন লোকেরাই দেশে করোনা ছড়ানোর জন্য শতভাগ দায়ী। এদের কারণেই  করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ১৪ জন। আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।গতকাল বুধবার মৃত্যু ছিল ৯৫। এরআগের দুদিন ছিল যথাক্রমে ৯৫ এবং ৯১।

অবশ্য তারে আগে তিনদিন ছিল যথাক্রমে ১১২ ও দুদিন ৯১ করে মারা গিয়েছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ৪২৯ জনের।

নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক শূন্য ৬৩ শতাংশ।এ পর্যন্ত দেশে মোট ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মারা গেছেন ১০ হাজার ৭৮১ জন।

মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৪২ হাজার ৪৪৯ জন। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে শনাক্তের হার কমতে শুরু করে।গত জুন থেকে আগস্ট—এই তিন মাস করোনার সংক্রমণ ছিল তীব্র ।

মাঝে নভেম্বর-ডিসেম্বরে কিছুটা বাড়লেও বাকি সময় সংক্রমণ নিম্নমুখী ছিল। এ বছরের মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ মার্চ বেশ কিছু বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করে সরকার।

এর মধ্যে ঘরের বাইরে গেলে মাস্কের ব্যবহার অন্যতম। কিন্তু সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকলেও জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে এখনো উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে।

তদুপরি বিপুল সংখ্যক মানুষ কারণে-অকারণে ঘরের বের হয়ে জমপেশ আড্ডা দিচ্ছেন।

এস এস