NAVIGATION MENU

টানা তৃতীয়বার সরকার গড়লেন মমতা


তৃতীয়বার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় তৃণমূল সরকার। নন্দীগ্রাম থেকে কয়েকশো ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলে এবার নিজের মন্ত্রিসভা সাজিয়ে নিলেন মমতা । রবিবারই সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রকাশ করেছেন তিনি। আজ সোমবার ১৬ নতুন মুখ-সহ মোট ৪৩ জন মন্ত্রীর শপথগ্রহণ হয়ে  গেল রাজভবনে।

নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে তৈরি নয়া মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর দেড়টায় নতুন মন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি দায়িত্ব পেলেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের, তিনি হলেন প্রতিমন্ত্রী। হুমায়ুন কবীর পেলেন কারিগরি শিক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব। ফিরহাদ হাকিমের হাতে আবাসন, পরিবহণ।

ইন্দ্রনীল সেন পেলেন পর্যটন, তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের দায়িত্ব। উজ্জ্বল বিশ্বাস কারামন্ত্রী। মানস ভুইঞা হলেন জলসম্পদ উন্নয়ন দপ্তর।

অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক মন্ত্রী অমিত মিত্র।  কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন ব্রাত্য বসু, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক হচ্ছেন বনমন্ত্রী। সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের নতুন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা।মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টনের কাজ শেষ।

মুখ্যমন্ত্রী মমতার নিজের হাতে রইল স্বরাষ্ট্র, পুলিশ, পার্বত্য বিষয়ক, ভূমি ও ভূমি সংস্কার, উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের মতো বেশ কয়েকটি দপ্তর।

 প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্য়ায় হচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার। চিফ হুইপ নির্মল ঘোষ, ডেপুটি চিফ হুইপ তাপস রায়। জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। পার্থ ভৌমিক, অসীমা পাত্রকে রাজ্য সরকারের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়ার ঘোষণা করলেন তিনি। 

বিজেপির বিরুদ্ধে ফের তোপ দাগলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একটা সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন কেন্দ্রীয় দল রাজ্যে? প্রশ্ন তুললেন তিনি।

 সম্পূর্ণ লকডাউনের পক্ষে নন মুখ্যমন্ত্রী। অনেক মানুষ বিপদে পড়বেন। তবে কড়াভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

 মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষ। কোভিড মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রত্যেক মেডিক্যাল কলেজে নিজস্ব অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির পরামর্শ মমতার।

 কোভিড বিধি মেনে একে একে নবান্নে ঢুকলেন নতুন মন্ত্রীরা। সভাঘরে তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। কাকে কোন দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা স্থির করে দেবেন।

 প্রশাসনিক পদ থেকে সোজা জনপ্রতিনিধি। এই লড়াই, সাফল্য প্রত্যাশিত ছিল। প্রথমবার বিধায়ক হয়ে প্রতিক্রিয়া আইপিএস হুমায়ুন কবীরের। ডেবরা থেকে তিনি আরেক আইপিএসক হারিয়ে বিধায়ক হলেন।

 রাজভবনে অনুষ্ঠান শেষে চা-চক্রে যোগদান মন্ত্রীদের। কিছুক্ষণ সেখানে থেকেই তাঁরা সকলে নবান্নের উদ্দেশে।

নবান্ন সভাঘরে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। আজই দায়িত্ব বণ্টন করার সম্ভাবনা। কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলাই মূল লক্ষ্য, মন্ত্রীপদের দায়িত্ব নিয়ে সকলেই জোর দিলেন এই দিকে।

অনুষ্ঠান শেষে একান্তে কথা বললেন রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রতিমন্ত্রীদের একইসঙ্গে শপথ পড়ালেন রাজ্যপাল। নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে শপথ নিলেন তাঁরা। কোভিড আবহে অতি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান।

এতদিনের রীতি মেনে রাজ্যপালের পাশে দাঁড়িয়ে শপথ গ্রহণ হল না। ৭ মিনিটে ৪৩ জনের শপথ পর্ব শেষ।

আজ সকালেই শুরু শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রথমেই ভারচুয়ালি শপথ নিলেন অমিত মিত্র।পূর্ণমন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদে কে কে শপথ নেবেন, তার তালিকা পড়লেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

সকালে থ্রোন রুমে প্রবেশ রাজ্যপাল ধনকড়ের। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে অভিবাদন জানান।

এস এস