NAVIGATION MENU

পাপুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম ও মেয়ে ওয়াফার জামিন


লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম ও মেয়ে ওয়াফা জামিন পেয়েছেন।

রবিবার (২৭ ডিসেম্বর) আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর জামিনের আবেদন করেন তারা। পরে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ জামিন মঞ্জুর করেন।

এ সময় দুদকের পক্ষে আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল ও মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধিতা করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন।

দুদকের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে কুয়েতে মানবপাচার ও অর্থপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার পাপুলসহ ৪ জনের ৬১৭টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ও ৯২টি তফসিলভুক্ত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া সিআইডির করা মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় ৫৩টি ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।

রবিবার (২৭ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত এই আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে পাপুলসহ চারজনের ৬১৭টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ও স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন।

এদিকে, দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে গত ১১ নভেম্বর পাপুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন - পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান ও মেয়ে ওয়াফা ইসলাম।

মামলার অভিযোগের তথ্যানুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকার লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের আড়ালে জেসমিন প্রধানের পাঁচটি হিসাবের মাধ্যমে ২০১২ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত লন্ডারিং হয় ১৪৮ কোটি টাকা। অথচ মাত্র বয়স ২৩ বছর বয়সী জেসমিনের নিজের কোনো আয়ের উৎস নেই।

অন্যদিকে, এফডিআর হিসাবের ২ কোটি ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৮ টাকার কোনো উৎস শ্যালিকা জেসমিন দাখিল করতে পারেননি। যে কারণে অবৈধ সম্পদের অভিযোগে কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল এবং তার স্ত্রী এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান ও মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এডিবি/