NAVIGATION MENU

পুজোর সাজগোজ


আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শারদীয় দুর্গাপুজো। অনেকেরই উৎসবের কেনাকেটা প্রায় শেষ। পুজো নিয়ে ইতোমধ্যেই ছোট-বড় সকলের মধ্যেই উৎসবের  আমেজ বিরাজ করে। তবে মেয়েদের প্রস্তুতি বরাবরই একটু বেশিই।

ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত উৎসবের এই দিনগুলোতে সবাই চায় নিজেকে একটু আলাদা করে তুলতে।

মেয়েদেরতো পরিকল্পনার শেষ নেই! আর পরিকল্পনা যদি হয় কবে কোন পোশাকে কি ধরনের মেকআপের সাজে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলবে তাহলেতো কোনো কথাই নেই।

আসুন জেনে নিই শারদীয় দুর্গাপুজোর বিশেষ দিনগুলোতে যেভাবে সাজবেন।

• ষষ্ঠীর দিন থেকেই মূলত উৎসব শুরু হয়। এদিন তাই খুব জমকালো পোশাক এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। সাদা কিংবা যে কোনো হালকা রঙের পোশাক বেছে নিন ষষ্ঠীর দিন সঙ্গে হালকা সাজ। ফাউন্ডেশন আর ফেসপাউডার, হালকা লিপিস্টিক আর চোখে কাজল দিয়েই সাজ শেষ করুন।

• সপ্তমীর দিন থেকে নবমী পর্যন্ত সকালে পুজোর অঞ্জলি দিতে যাওয়ার সময় সুতি শাড়ি বেছে নিন। তবে বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে একটু ভারী সাজতে পারেন। রাতের বেলা আত্মীয়স্বজনদের বাসায় ঘুরতে যাওয়া হয়। তাই এসময় সাজটি একটু গাঢ় হতেই পারে।

• দশমীর দিন সাজ চাই মনের মতো করে। এদিন সিঁদুর খেলা হয়। তাই লাল বা গাঢ় রঙের পোশাক বেছে নেওয়াই ভালো। দশমীর দিন বেছে নিন তাঁত, জামদানি বা ঐতিহ্যবাহী গরদের শাড়িটি।

এদিন, দিনের বেলায় ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে ফাউন্ডেশন হালকা করে লাগিয়ে নিন। এর ওপরে আলতো করে পাউডার এবং সামান্য বেজ কম্প্যাক্ট লাগিয়ে নিন। চোখের পুরোটা পাতায় আইশ্যাডো লাগান। চোখের ওপরের পাতায় আইলাইনার দিয়ে লাইন টেনে নিন। দুই গালে ব্লাসন লাগিয়ে দিন।

পোশাকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে লিপস্টিক বা লিপস্টিকের বদলে লাগান লিপগ্লস। আগেই  চুল সেট করে নিন। বড়  চুলে খোপা করে ফুল দিতে পারেন। আর ছোট চুল হলে ব্লো ডাই করে খুলে রাখুন। সঙ্গে ওয়েট টিসু রাখুন। মাঝে মাঝে ওয়েট টিসু দিয়ে মুখ মুছে নিন। গরমের  ক্লান্তি দূর হবে আর আপনাকে অনেক বেশি সময় দেখাবে স্নিগ্ধ ও সতেজ।

রাতের সাজের সময় কোনো বাধা নেই। তবে সাজুন সময় নিয়ে, যত্ন করে, বছরের এই দিনটির জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হয় পুরো একটা বছর, তাই এই সাজটাও হওয়া চাই তেমনই জমকালো।

এস এ /এডিবি