NAVIGATION MENU

প্রশান্ত মহাসাগরে উপকূলরক্ষী নিয়োগে উদ্যোগী যুক্তরাস্ট্র


প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজের উপস্থিতি বৃদ্ধিতে এবার যুক্তরাস্ট্র তার উপকূল প্রহরী (ইউএসসিজি) বাড়িয়ে সেখানে মোতায়েন করতে যাচ্ছে। যুক্তরাস্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা রবার্ট সি ও’ব্রিয়েন জানিয়েছেন, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলটিতে অন্যান্য দেশের  বাণিজ্য নৌযানের ওপর  চিনা জাহাজের হয়রানি রুখতে তারা ওই অঞ্চলে তার উপস্থিতি প্রসারিত করতে চাইছে। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি শক্তি। অথচ গণপ্রজাতন্ত্রী চিন সেখানে অবৈধ ও অপ্রত্যাশিতভাবে  উপস্থিতি বাড়িয়ে এবং নিয়ন্ত্রণহীনভাবে মৎস্য শিকার করে যাচ্ছে।  তদুপরি  ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্যান্য দেশের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলিতে জাহাজগুলির  ওপর হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছে। যা সার্বিকভাবে সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকিস্বরূপ। 

ব্রিয়েন বলেন, চিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিপন্ন করছে। এ কারণে ইউএসসিজি এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ইউএসসিজি কৌশলগতভাবে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি লুইসিয়ানা ভিত্তিক শিপইয়ার্ডে নির্মাণ এবং ত্বরিৎভাবে সাপোর্ট দিতে  রেসপন্স কাটারসমূহ হোমপোর্টিং করছে। ফাস্ট রেসপন্স কাটারের নয়া প্রজন্ম মৎস্য টহলের মতো সামুদ্রিক সম্পদ সুরক্ষা মিশন পরিচালনা করবে। বৃদ্ধি করবে সমুদ্র সৈকত নজরদারিত্ব এবং নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।  

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা এবং উপস্থিতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২১ অর্থবছরে, ইউএসসিজি আমেরিকান সামোয়া ফাস্ট রেসপন্স কাটারগুলি বেস করার সম্ভাব্যতার মূল্যায়ন করার পরিকল্পনা করছে।

জরিপটি অনুকূল হলে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে তার উপস্থিতি আরও প্রসারিত করতে পারে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরে ইউএসসিজির উপস্থিতি বৃদ্ধি করা নিশ্চিত করে যে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে পছন্দের সমুদ্রে অংশীদার হিসাবে থাকবে।

ভারত-মহাসাগরীয় বিষয়, করোনাভাইরাস মহামারীসহ বিভিন্ন কারণে সাম্প্রতিক সময়ে চিন ও যুক্তরাস্ট্রের মধ্যে সম্পর্কও খারাপ যাচ্ছে। 

ওমা/ এস এস