ন্যাভিগেশন মেনু

ফেব্রুয়ারি মাসেই চট্টগ্রামে ৪ কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা ব্যবসায়ীদের


বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, সামাজিক বিবাহ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্য ঘিরে নানা ফুলের চাহিদা মিটাচ্ছে ফুল চাষি ও ব্যবসায়িরা। এই বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অনেকবেশি ফুলের ফলন হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর ফুল পাড়া হিসেবে পরিচিত চেরাগীর পাহাড় মোড়ে ফুলের দোকানে। চট্টগ্রামে ফেব্রুয়ারি মাসেই ৪ কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা ব্যবসায়ীদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর বিভিন্ন ফুল দোকানে চাহিদার তুলনায় পযাপ্ত ফুলের সরবরাহ আছে। গত বছর একটি দেশী গোলাপ ৪০ টাকা, দেশী চায়না গোলাপ ৭০ টাকা ও পিংকালারের একটি গোলাপ বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা। ফুলের এ চাহিদা বেড়ে বাড়ে ভালোবাসা দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও সামাজিক বিয়েতে ফুল বিক্রি চার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছে ব্যবসায়িরা ।

ফুল বিক্রেতা আব্দুল মোনাফ বলেন, এবার দেশী ফুলের কদর বেড়েছে সে কারণে দামও বেড়েছে। এবার পাইকারিভাবে প্রতিটি ১২, গেদা ১০০০টি ২৫০ টাকা, জিপসি প্রতি আঁটি ১৫-২০ টাকা, চন্দ্রমল্লিকা প্রতিটি ৪ টাকা টাকা বিক্রি হচ্ছে। চায়না গেদা প্রতি ১০০টি ৫০০ টাকা এবং চায়না বেলি বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০০টি ৫০০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানান,বর্তমানে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ প্রহণ করার কারণে বাণিজ্যিকভাবে দেশী ফুল চাষের সুদিন ফিরছে।তবে রাস্তায় চাদাবাজদের কারণে শহরে আসতে আসতে ফুলের দাম বেড়ে যায়। বিদেশ থেকে ফুল আমদানির ক্ষেত্রে সরকার যদি আমদানি শুল্কহার বৃদ্ধি করে দেন তাহলে আমদানি কারকরা বিদেশ থেকে ফুল আমদানিতে নিরুৎসাহিত হবেন, ফলে দেশী ফুলের চাহিদা আরো বৃদ্ধি পাবে।

চকরিয়ার ফুল চাষি আনসারউল ইসলাম জানান, ভালোবাসা দিবস বা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, সামাজিক অনুষ্ঠান ঘিরে দেশী কাঁচা ফুলের কদর বাড়ছে। ফুল চাষিরা তাদের বাগানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকাতর এই বছর ফুলের চাষও ভালো হয়েছে। চকরিয়া থেকেও কোটি টাকার উপরে ফুলের ব্যবসা হবে।