NAVIGATION MENU

বাণিজ্যিক এলাকায় খোলা ব্যাংক, বাড়লো লেনদেনের সময়


করোনাভাইরাস সংক্রমন ঠেকাতে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সময় দেশের বাণিজ্যিক এলাকায় রাজধানীর মতিঝিল ও দিলকুশা এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদে অবস্থিত সব তফসিলি ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ি, ‘বাণিজ্যিক এলাকায় আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গ্রাহকরা লেনদেন করতে পারবেন। আর ব্যাংক খোলা থাকবে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।’

দেশের তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে দেশের বিভিন্ন বন্দর (সমুদ্র-স্থল-বিমান) এর মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে এসব এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস্ এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা-বুথগুলো স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর-কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনাক্রমে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টো খোলা রাখার যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল তা বহাল রয়েছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ইতোপূর্বে ১৬ এপ্রিল জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-১৩ এর অন্যান্য সকল নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। প্রধান দু’টি বাণিজ্যিক এলাকা ছাড়া দেশের অন্য এলাকায় সীমিত আকারে ব্যাংকগুলো খোলা থাকবে। এসব ব্যাংকের শাখায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গ্রাহক লেনদেন করতে পারবেন। আর ব্যাংক খোলা থাকবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। পাশাপাশি করোনার কারণে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন যেসব এলাকা লকডাউন করবে ওই এলাকায় সব ব্যাংকের সব শাখা বন্ধ থাকবে।’

এছাড়া, দেশের প্রধান দু’টি বাণিজ্যিক এলাকা তথা রাজধানীর মতিঝিল/দিলকুশা এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকসমূহের শাখা আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতি কার্যদিবসে খোলা রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তাছাড়া ব্যাংকিং লেনদেনের জন্য খোলা রাখা শাখা ও প্রধান কার্যালয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব (ডব্লিউএইচও-এর গাইডলাইন অনুযায়ি) বজায় রাখার বিষয়ে জোরালোভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

এমআইআর/এডিবি