NAVIGATION MENU

রোহিঙ্গা শিবিরে মাদকসেবন নিয়ে বিবাদে স্বামী-স্ত্রী-শ্যালিকা খুন


মায়ানমার সেনা বাহিনীর অত্যাচারে দেশ থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। বাংলাদেশে আসা এই রোহিঙ্গা শরনাথীদের মধ্যে কিছু রয়েছে- যারা এদেশে এসেও অশান্তি ছড়িয়ে চলেছে।

তাদের দস্যিপনায় শুধু রোহিঙ্গা শরনাথীশিবির নয় স্থানীয়রা বাসিন্দারাও চরমভাবে অতিষ্ঠ।চুরি-ডাকাতি-খুন-যুবতী পাচার,মাদক কারবারি থেকে শুরু করে হেন কোন অপকরম নেই, যা তারা করছেনা।তারা প্রতিনিয়ত খুনো-খুনি চালিয়ে যাচ্ছে।

গতকালই মাদক পাচার নিয়ে বিজিপির সঙ্গে গুলিযুদ্ধে ২ রোহিঙ্গা নিকেশ ‍ও ক্যাম্পে বিবাদ নিয়ে এক রোহিঙ্গা আরেক রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে। 

এবার কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রী ও শ্যালিকাসহ তিনজন খুন হয়েছেন। শুক্রবার ইফতারের (সন্ধ্যার)আগে কুতুপালং ক্যাম্প-২-এর ডি-৭ ব্লকে এ কাণ্ড। নিহত হয়েছে আলী হোসেনের ছেলে নূর সালাম (৩৯), তার স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৩৫) ও তার শ্যালিকা হালিমা খাতুন (২৬)।

পুলিশ জানিয়েছে, নূর সালামের মাদক সেবন নিয়ে স্ত্রীর সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়।

এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী নূর সালাম স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে দা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মরিয়মের।এ ঘটনার খবর পেয়ে শ্যালিকা হালিমা খাতুন এগিয়ে আসেন।

এ সময় নূর সালাম ও শ্যালিকা দা ও কাঁচি দিয়ে একে অপরকে কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নূর সালাম। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে শ্যালিকা হালিমা খাতুনকেও মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় একটি ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।কুতুপালংয়ের ওই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা উপ-সচিব মো: রাশেদুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামী-স্ত্রী ও শ্যালিকাসহ তিনজন খুন হয়েছে।

এস এস