NAVIGATION MENU

সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়ার চেষ্টা করছি: শিক্ষামন্ত্রী


সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়ার চেষ্টা করছি আমরা। এখন সেটিও যদি না হয়, আমরা তার বিকল্প নিয়েও চিন্তা করছি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকার কেরানীগঞ্জের জাজিরা মোহাম্মদিয়া আলিয়া মাদরাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনের সময় এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চলতি বছরে এএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা হবে কি-না, করোনা পরিস্থিতি দেখে বিবেচনা করা হবে। কিন্তু এখন পরীক্ষা আমরা নিতে পারব কি-না, পরীক্ষা নিতে না পারলে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা থাকলে তার সবকিছু নিয়েই কিন্তু আমাদের চিন্তাভাবনা আছে।’

এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিগগিরই খুলে দেওয়া হচ্ছে না ইঙ্গিত দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বতর্মানে করোনা সংক্রমণের হার ১৩ শতাংশের বেশি। গত বছরের শেষে ও এ বছরের শুরুতে সংক্রমণের হার কমিয়ে আনা গিয়েছিল। করোনা সংক্রমণ এখন ঊর্ধ্বগামী। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫ শতাংশের নিচে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু এখন তো অনেক বেশি। সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বগতি আপনারাই বলেন কীভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব!’

কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের কারো পক্ষে বলা সম্ভব নয়। আমরা আশা করেছিলাম, মার্চ মাসে খুলে দেবো। প্রতিদিন সিনারিও চেঞ্জ হচ্ছে। লকডাউন মানলে সংক্রমণ কমবে। আমরা তো মানছি না। আর মানছি না বলেই পরিস্থিতি বার বার খারাপের দিকে যাচ্ছে।’

এর আগে রবিবার (১৩ জুন) চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প ব্যবস্থার চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জুলাই থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের উপরই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। তবে যদি ছুটি বাড়ানো হয় তাহলে বিকল্প চিন্তা হিসেবে অ্যাসাইমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন করার প্রস্তুতি শূরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে শিক্ষাথীরা কতটুকু শিখেছে তার একটা মুল্যায়ন করে গ্রেড দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে পূর্বের পরীক্ষা জেএসসি ও নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলকে আমলে নেওয়া হতে পারে।

গত বছরের (২০২০ সাল) মার্চে সংক্রমণ দেখা দেওয়ার ঠিক আগেই এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু ক্রমেই করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া আর সম্ভবপর হয়নি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির সময় কোনো পাবলিক পরীক্ষা হয়নি। আর উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ফল প্রকাশ করা হয় তাদের এসএসসি ও জেএসসির ফলের গড় করে।

এমআইআর/ওআ/