NAVIGATION MENU

স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন


গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ মামলায় মারুফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অপহরণের দায়ে ১৪ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এই মামলায় বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক কাজী মুরাদে মওলা এ আদেশ দেন।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি গাইবান্ধা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের গেটের সামনে থেকে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিয়ে যায় সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে মারুফুল ইসলাম। সে সময় ওই ছাত্রীকে ঘরে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে সে।

এই ঘটনার দুইদিন পর সদর থানায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। পরে ওইদিন পুলিশ মির্জাপুরে অভিযান চালিয়ে মারুফুলকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় লজ্জায় আত্মহত্যা করেন ওই স্কুলছাত্রী।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাঙ্গাহীর হোসেন জানান, বুধবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন মারুফুল। দীর্ঘ শুনানি ও স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য প্রমাণে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার পর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিউকিটর (এপিপি) মোছা. শিউলী বেগম।

এডিবি/