NAVIGATION MENU

স্ত্রী হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলো হাইকোর্ট


রাজধানীর পল্লবী থানা এলাকায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী আমিরুল ইসলাম ইমনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ।

আসামী আমিরুল ইসলাম ইমন নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার সোনাবাজু ঝাকড়া গ্রামের মো. গফুরের ছেলে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়, রাজধানীর পল্লবী থানার ৭ নম্বর সেকশনের ৫ নম্বর রোডের ৯৪৯ নম্বর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন দম্পতি আয়েশা সিদ্দিকা ও স্বামী ইমন। ২০ হাজার টাকা যৌতুক চেয়ে আয়েশাকে প্রায়ই মারধর করতেন ইমন। যৌতুক দিতে না পারায় এক পর্যায়ে ২০০৪ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে ঘুমন্ত স্ত্রীকে গলায় নাইলনের দড়ি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন ইমন।

এ ঘটনায় আয়েশার বাবা আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে রাজধানীর পল্লবী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। পরে গ্রেপ্তারকৃত ইমন আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

এরপর ২০০৫ সালের ৭ এপ্রিল পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল খালেক ওই মামলার তদন্ত শেষে আমিরুল ইসলাম ইমন ও সৌরভ নামে আরেকজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। তবে রায়ে অপর আসামী সৌরভ খালাস পান।

পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকার তিন নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন।

এস এ/এডিবি