ন্যাভিগেশন মেনু

৭৮ বছরে পা রাখলেন আবুল হায়াত


বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যরচয়িতা ও নির্মাতা আবুল হায়াতের জন্মদিন আজ। ১৯৪৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর মুর্শিদাবাদে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। এবারে এই অভিনেত্রী ৭৮ বছরে পা রাখলেন।

অভিনয়ের সকল মাধ্যমে তার বিচরণ। থিয়েটার, টিভি নাটক ও চলচ্চিত্রে সমানভাবে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন তিনি।

ভারতের পশ্চিমববঙ্গে জন্ম হলেও, দেশ বিভাগের পর চলে আসেন চট্টগ্রামে। বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়াশোনা পাঠ চুকিয়ে প্রকৌশলী হিসেবে নিযুক্ত হন ওয়াসায়। ওয়াসার সেই ইঞ্জিনিয়ার অভিনয় দিয়ে হয়ে উঠেন টিভি নাটকের ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘বাবা’। অভিনয় করেছেন অসংখ্যা নাটকে।

করোনার এই মহামারির মধ্যে জন্মদিন নিয়ে কোনো বিশেষ পরিকল্পনা নেই তার। এ বিষয়ে আবুল হায়াত বলেন, ‘দেশে বিপাশা নেই, তার পরিবারেরও কেউ নেই। শুধু নাতাশা আছে। ওর মেয়েরও জন্মদিন আজ। নিজেরাই ঘরোয়াভাবে জন্মদিনটা উদযাপন করব। তবে সত্যি বলতে কি- অনেক দিন বাঁচার স্বপ্ন দেখি। সবার দোয়া চাই। কারণ পোস্ট কোভিডে সুস্থ থাকাটাই জরুরি।’

পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ার সময় আবুল হায়াত মঞ্চে প্রথম ‘টিপু সুলতান’ নাটকে অভিনয় করেন। নাগরিক নাট্যসম্প্রদায়ের হয়ে মঞ্চে তার প্রথম নাটক আতাউর রহমানের নির্দেশনায় ‘বুড়ো শালিকের ঘারে রোঁ’। টিভিতে তার প্রথম নাটক ছিল জিয়া হায়দারের প্রযোজনায় ‘ইডিপাস’। মঞ্চে তার নির্দেশিত প্রথম নাটক ‘আগন্তুক’ এবং টিভিতে ‘হারজিৎ’। প্রথম অভিনীত সিনেমা ঋত্বিক কুমার ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’। ১৯৭৪ সালে আলী যাকেরের নির্দেশনায় মঞ্চে ‘বাকী ইতিহাস’ নাটকে অভিনয় করে তিনি ‘সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড ফর ইনট্রিডিউসিং ন্যাচারালিস্টিক অ্যাক্টিং অন বাংলাদেশ স্টেজ’ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। এটি বাংলাদেশে দর্শনীর বিনিময়ে প্রথম মঞ্চ নাটক।

ওআ/