ন্যাভিগেশন মেনু

‘চীনের মহামারি প্রতিরোধ নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টায় লিপ্ত যুক্তরাষ্ট্র’


চীন তার মহামারি প্রতিরোধ নীতি সর্বশেষ সুবিন্যস্ত করার পর থেকে গত এক মাস ধরে কিছু ‘পরিচিত’ শব্দ আবারও গণমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র আবারও অপমানকর আচরণ শুরু করেছে। মহামারির তিন বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে সবাই লক্ষ্য করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র প্রায়ই মহামারিকে তার স্বার্থ সিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। অন্য দেশের মহামারি প্রতিরোধ কাজের সমালোচনা করা তার খারাপ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

২০২০ সালের এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃতের সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ। পরিসংখ্যান সংস্থার সে সময়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ‘মাস্ক”, “চীন” ও ‘বাজার অনুমোদন’ শব্দগুলো মার্কিন গণমাধ্যমের নজর কেড়েছিল।

২০২০ সালের ১১ এপ্রিল মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ তত্ত্বাবধান প্রশাসনের (ইইউএ) বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চীনে অবস্থিত ৪৬টি মাস্ক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে,এর আগে ২০২০ সালের ২৮ মার্চ  ইইউএ’র জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন করা তালিকার বিদেশী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চীনা মাস্কের স্থান ছিল না।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে যখন উহান শহরে মহামারি পরিস্থিতি গুরুতর ছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্র কেবল লকডাউন, মানবাধিকার এবং গণ-অনুভূতির দিকে নজর দিয়েছে। চীনা জনগণের মাস্ক পরাকে মানবাধিকার ও স্বাধীনতার অভাবের প্রতীক বলে অপপ্রচার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র মাস্ক পরার বিষয়টির গুরুত্বের কথা জেনেও চীনাদের মাস্ক পরার বিষয়ে অপমান করেছে।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে মার্চ মাসের শুরুর দিক পর্যন্ত তিন সপ্তাহের মধ্যে দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০০ গুণ বেড়েছে। এপ্রিল মাসে মৃতের সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ। এমন প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র চীনকে মাস্ক পাঠানোর অনুরোধ জানায়। আর সে কারণে এপ্রিল মাসে এফডিএ’র বিজ্ঞপ্তিতে চীনের প্রতিষ্ঠানকে জরুরি অনুমোদন দেওয়া হয়। - সূত্র: সিএমজি