NAVIGATION MENU

বউকে বোন বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি, অতপর বরখাস্ত


বউ নাসরিন আক্তারকে বোন বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি বাগিয়েছিলেন মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলম। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এই ঘটনা প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সন্তান হিসেবে বউ নাসরিন আক্তার, খালাতো বোন শাপলাকে বোন পরিচয় দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করে দেয় আশরাফুল।

এ ঘটনায় টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার ও খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাপলা আক্তারকে বরখাস্ত করেছে শিক্ষা অধিদপ্তর।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, নাসরিন আক্তার রবিয়ার চর গ্রামের বাসিন্দা ও মাদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আশরাফুল আলমের স্ত্রী। আর আশরাফুলের খালাতো বোন শাপলা।

আশরাফুল বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের ছেলে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। পরবর্তীতে তিনি নাসরিন ও শাপলাকেও সহিদুর রহমানের সন্তান হিসেবে দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নিয়ে দেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পাওয়ার পর তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নজরে আসে।

এরপর বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলে। ১ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক। এর ভিত্তিতে ২৭ অক্টোবর নাসরিন ও শাপলাকে বরখাস্ত করে শিক্ষা অধিদপ্তর। আর আশরাফুলের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা হয়েছে।

এছাড়া  চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সরকারি বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া সব অর্থ তাদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি ওই দুজনকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক।

সিবি/এডিবি