NAVIGATION MENU

সিনচিয়াং নিয়ে মিথ্যাচার নাকচ করে দিলেন বিদেশি কূটনীতিকরা


চীনের সিনচিয়াং নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো যে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে ওই অঞ্চল সফররত বিদেশি কুটনীতিকরা তা নাকচ করে দিয়েছেন।

বেইজিংয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ কেশাভারজ-জাদেহ বলেন, সিনচিয়াংয়ের রাজধানী উরুমুছি ও কাশগরে তিনি দেখেছেন যে মুসলমানদের ইচ্ছা অনুযায়ী সেখানকার মসজিদগুলোতে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সেখানকার মসজিদগুলোর অবস্থা দেখে আশ্চর্যন্বিত হন জাদেহ। তিনি বলেন, “একজন মুসলমান হিসাবে আমি সেখানে মসজিদে নামাজ আদায় করেছি। আমি দেখেছি ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে সেখানকার মানুষ একেবারে স্বাধীন।”

জাদেহ বলেন, মসজিদগুলো প্রশস্ত ও উজ্জ্বল, ফরাশগুলো কোমল ও পরিস্কার, প্রবীণ ও শারিরীকভাবে অক্ষমদের সুবিধার জন্য রয়েছে টেবিল ও চেয়ার এবং আরও রয়েছে ফ্ল্যাশ টয়লেট, ওজুখানা, ক্যানটিন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

একুশটি দেশের ৩০ জন কূটনীতিক গত ৩০ মার্চ থেকে চার দিনের ওই সফরে সিনচিয়াং যান। সফরকালে তারা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।

পশ্চিমা রাজনীতিক, প্রতিষ্ঠান ও সংবাদমাধ্যম সিনচিয়াংয়ের বিষয়ে, বিশেষ করে সেখানকার মুসলমানদের অবস্থা নিয়ে, নানা অভিযোগ তুললেও সফরকালে তার কোনও সত্যতা পাননি কূটনীতিকরা।

মোহাম্মদ জাদেহ বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় চীন সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, সেগুলো ‘খাঁটি ও ফলদায়ী’।

জাদেহর সঙ্গে কণ্ঠ মিলান বেইজিংয়ে নেপালের রাষ্ট্রদূত মাহেন্দ্র বাহাদুর পান্ডে। সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা-বিরোধী এক প্রদর্শনীকেন্দ্র পরিদর্শনের পর তিনি বলেন, “আমি মনে করি চীন সরকার ও জনগণ কেবল সন্ত্রাসবাদ দমন করছে না; পেশাগত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার মাধ্যমে একটা নতুন জীবনও দান করছে।”