NAVIGATION MENU

ঢাকায় এক বছরেই বায়ুদূষণ ১৭ শতাংশ বেড়েছে


ঢাকায় ২০২০ সালে বায়ুদূষণ ১৭ শতাংশ বেড়েছে ২০১৯ সালের তুলনায়। বেসরকারি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়টি শনিবার সমীক্ষার ফল প্রকাশ করে। এ উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) যৌথ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। ইউনিভার্সিটির বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের (ক্যাপস) পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার 'ঢাকা শহরের ৭০টি স্থানের বায়ুদূষণ সমীক্ষা-২০২০' শীর্ষক সমীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

এতে বলা হয়, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়সহ হাতেগোনা কয়েকটি স্থানে দূষণ কমেছে। ২০২০ সালে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি দূষিত এলাকা এলিফ্যান্ট রোড এবং সবচেয়ে কম দূষিত এলাকা মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড।

গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা শহরের ১০টি সংবেদনশীল, ২০টি আবাসিক, ১৫টি বাণিজ্যিক, ২০টি মিশ্র এবং পাঁচটি শিল্প এলাকার বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য স্থপতি অধ্যাপক মুহাম্মাদ আলী নকী।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল। অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, মিশ্র এলাকার বায়ুদূষণ ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে প্রায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে।

সামগ্রিকভাবে দেখা যায়, ২০২০ সালে ঢাকা শহরের ৭০টি স্থানের গড় বস্তুকণা ২.৫ ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৩৩৫.৪ মাইক্রোগ্রাম। যা বস্তুকণা ২.৫-এর আদর্শমানের চেয়ে প্রায় ৫.২ গুণ বেশি।

বস্তুকণা ২.৫-এর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত জাতীয় আদর্শ বায়ুমান ( দৈনিক) প্রতি ঘনমিটারে ৬৫ মাইক্রোগ্রাম।

এস এস