NAVIGATION MENU

পি কে হালদারের দুর্নীতি সঙ্গে কেন্দ্রিয় ব্যাংকের হিসেব মিলছে না


পি কে হালদার শুধু ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে ১৫৬ কোটি টাকা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে ১৬৪ কোটি টাকা সরিয়েছে কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত পি কে হালদারের দুর্নীতি সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেব মিলছে না বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বাংকের নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) আইএলএফএসএল’র আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে আপিল বিভাগকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম এবং বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদ।

আর তাই এরপরই ব্যাংকিং খাতে লুটপাটের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ আদেশের জন্য বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ দিন ধার্য করেন।

শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পি কে হালদার কিভাবে দেশ ছেড়ে গেলো তা খতিয়ে দেখতে হবে।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদ লিখিত বক্তব্যে জানান, 'এই আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পি কে হালদার এবং অন্যান্যরা প্রায় ১৫শ’ কোটি টাকা সরিয়ে ফেলেছে। ফলে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডকে বাঁচানো খুবই মুশকিল। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পেশাল ব্যবস্থা নিলে সেটি সম্ভব হতে পারে।'

বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী তানজীব উল আলম বলেন, 'অর্থনৈতিক খাতটা যেন হুমকির মধ্যে না পড়ে যায় সেই জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের যে ক্ষমতাটুকু আছে সে অনুযায়ী ভেবে চিন্তে স্কিম আকারে বোর্ডের কাছে উপস্থাপন করতে পারে। অথবা বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেরাই সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে অর্থনৈতিক খাতের জন্য যা ভালো হবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।'

ওয়াই এ/এডিবি