NAVIGATION MENU

ফের বলাৎকার কাণ্ড, ২ মাদ্রাসা শিক্ষক পাকড়াও


ফের বলাৎকার কাণ্ড ঘটলো। আগেরমতো এবারও বলাৎকারের শিকার হয় ২ মাদ্রাসা ছাত্র এবং তাদের শিক্ষকের হাতেই। এ কাণ্ড টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায়।

পুলিশ দুই মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে দুই মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা সদরের শ্যামলী (গরুর হাট) এলাকার আল এহসান নূরানী ও হেফজ মাদ্রাসায় এ ঘটনা।

  পুলিশ ও ঘটনার শিকার ছাত্রদের অভিভাবকরা জানায়, ঘাটাইল পৌর এলাকার আল এহসান নূরানী ও হেফজ মাদ্রাসায় দুই ছাত্রকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বলাৎকার করে দুই শিক্ষক। ছেলের মুখে ঘটনা শুনে পুলিশে খবর দেন এক ছাত্রের বাবা।

পরে পুলিশ ওই মাদ্রাসায় গিয়ে এক ছাত্রকে উদ্ধার ও দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় মামলা করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার শরিকপুর গ্রামের মো. হেকমত আলীর ছেলে রমিজুল ইসলাম (২২) ও জেলার ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে খায়রুল ইসলাম (২২)।

গতকাল বৃহস্পতিবারই তাদেরকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের জেলে পাঠান। ভুক্তভোগী এক ছাত্রের বাবা বলেন, ‘ঘটনার শিকার আমার ছেলে ভয়ে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে তার নানা বাড়িতে আশ্রয় নেয়। খবর পেয়ে আমি ও আমার স্ত্রী সেখানে যাই। কারণ জানতে চাইলে ছেলে বলে, “আমি আর মাদ্রাসায় যাবো না।

হুজুর আমার সঙ্গে খারাপ কাজ করেছে। আমাকে মাদ্রাসায় পাঠালে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে মরে যাব।” পরে আমরা ব্যবস্থা নেই।’ ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদুল আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রদের উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে জেলা আদালতের মাধ্যমে হাজতে পাঠানো হয়েছে।

এস এস