NAVIGATION MENU

সুকুমার সরকার

সুকুমার সরকার
May 23, 2019

জাতীয়

ফের সরকার গড়ছেন মোদীই

ফের সরকার গড়ছেন মোদীই

ঢাকা: ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বুথ ফেরত জরিপ মোটামুটি সত্যি হতে চলেছে। এবারও সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট।  ভোট গণনার দু’ঘণ্টা পার না হতেই দেখা যাচ্ছে  দেশটির ৫৪২টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৩৩৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।আর কংগ্রেস ৯৯ আসনে এগিয়ে আছে। তৃণমূল ২৪, বাম ৪ এবং ৭৯ আসনে এগিয়ে আছে। অবশ্য বিজেপি বড় ব্যবধানে অন্যান্য দল থেকে এগিয়ে থাকলেও আগের বারের চেয়ে ৩৬টি আসনে তারা পিছিয়ে।ভারতের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম শুরু হয় ১১ এপ্রিল ও শেষ দফার ভোট গ্রহণ করা হয় ১৯ মে।ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশের ৮০ আসনের মধ্যে ৭৮টি আসনের মধ্যে  বিজেপি ও তার জোটসঙ্গীরা ৫৭টি আসনে এগিয়ে। এ রাজ্যে দীর্ঘদিনের শত্রুতা ভুলে জোট করেছিল বহুজসন সমাজ পার্টি ও সমাজাবাদী পার্টি। ভোট গণনার চলমান প্রবণতা বলছে, এ জোটের ফল ভালো হয়নি।পশ্চিমবঙ্গে ৪২ আসনের মধ্যে ২২টিতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে। গতবার মাত্র দুটি আসন পাওয়া বিজেপি এবার ১৬ আসনে এগিয়ে। এ রাজ্যে ২টি  আসনে এগিয়ে কংগ্রেস।এ দুটো রাজ্য ছাড়া বিজেপি যেসব রাজ্য এগিয়ে আছে-  এর মধ্যে আছে রাজস্থান, কর্ণাটক, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খন্ড, গুজরাট, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্র।নির্বাচনকালীন বুথ ফেরত জরিপগুলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন জোটের বিজয়ের আভাস দিয়েছিল। গণনা শেষে যে প্রাথমিক ফলাফল ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো দিচ্ছে- সেখানেও ক্ষমতাসীন বিজেপির বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার তথ্য আসছে।ভারতীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ৫৪২টিতে নির্বাচন হয়েছে এবার। সরকার গঠন করার জন্য কোনো দল বা জোটকে ২৭২টি আসন পেতে হবে।পশ্চিমবঙ্গের ৪২ আসনের মধ্যে ২২টিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল  তৃণমূল কংগ্রেসের এগিয়ে।  এ রাজ্যে  ১৬ আসনে বিজেপি এবং কংগ্রেস দুটি আসনে এগিয়ে আছে।এদিকে নরেন্দ্র মোদীর টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের সম্ভাবনায় ভারতের পুঁজিবাজারের সূচক বৃহস্পতিবার ইতিহাসের প্রথমবারের মত ৪০ হাজার পয়েন্টের ঘর অতিক্রম করেছে।১১ এপ্রিল শুরু হয়ে গত ১৯ মে শেষ হয় ভারতে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। ৯০ কোটি ভোটারের জন্য নয় লাখ কেন্দ্রে মোট সাত পর্বে এই ভোটগ্রহণ চলে।ভারতে সাধারণ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের পর সঙ্গে সঙ্গে গণনা হয় না। ব্যালট বাক্স...


May 22, 2019

বিশ্ব সংবাদ

সিন্ধুতে শিশুদের মধ্যে এইডসের ছড়াছড়ি

সিন্ধুতে শিশুদের মধ্যে এইডসের ছড়াছড়ি

পাকিস্তানে ব্যাপকহারে এইডস বেড়ে যাওযায় দেশটির কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ছোট শহর রাত্তো ডিরোতে ফেব্রুয়ারি মাসে কিছু সংখ্যক উদ্বিগ্ন বাবা-মা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে জানান, তাদের ছোট ছোট শিশুদের জ্বর কিছুতেই কমছেনা।সপ্তাহের ব্যবধানে আরও অনেক শিশু একই ধরণের অসুস্থতা নিয়ে হাজির । হতবাক চিকিৎসক ইমরান আরবানি শিশুদের রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠালেন।রিপোর্ট ফিরে আসার পর দেখা গেল যেমনটা তিনি আশঙ্কা করেছিলেন তা-ই। ওইসব অসুস্থ শিশু এইচআইভি ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত, কিন্তু তা কিভাবে, কেন ঘটেছে কেউ জানে না।গত ২৪ এপ্রিলের মধ্যে ১৫টি শিশু এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। যদিও তাদের কারও বাবা-মায়ের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। সিন্ধু প্রদেশে এ নিয়ে সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বহু উদ্বিগ্ন বাবা মা ক্যাম্পে ভিড় জমালে ৬০৭ জনের বেশি এইচআইভি সংক্রমণ নির্ণয় করা হয়েছে, যাদের ৭৫ শতাংশ শিশু।এই অঞ্চলটিতে এটাই প্রথম এই ধরণের প্রাদুর্ভাব নয়। ২০১৬ সিন্ধু প্রদেশের লারকানায় হাজার হাজার মানুষকে প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা করেন।সিন্ধু এইডস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির তথ্য অনুসারে, সেই সময় ১৫শ ২১ জন এইচআইভি পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন।সংক্রমিতদের মধ্যে অধিকাংশই ছিল পুরুষ, ওইসময় এর পেছনে কারণ হিসেবে ছিল সেই অঞ্চলের যৌনকর্মীরা যারা ছিল প্রধানত তৃতীয় লিঙ্গের এবং তাদের ৩২ জন এইডস বহন করছে বলে জানা যায়।পাকিস্তানে পতিতাবৃত্তিতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও যৌনকর্মীরা অপেক্ষাকৃত স্বাধীনভাবে তাদের ব্যবসা চালাতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু এই প্রাদুর্ভাবের সাথে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক উদ্ভাবনের সাথে কি সম্পর্কিত?সিন্ধু এইডস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি বা সংক্ষেপে এসএসিপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডক্টর আসাদ মেমনও তেমনই মনে করেন, যদিও সরাসরি নয়।এইচআইভি পরীক্ষায় নেগেটিভ দেখা যায় এবং কিছু শিশুর রক্ত সঞ্চালনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বাকি যে ব্যাখ্যাটি এসেছে তা হল স্থানীয় ক্লিনিকগুলোতে একই সিরিঞ্জ একাধিক রোগীর শরীরে পুশ করা হয়। পুরো প্রদেশ জুড়ে প্রায় ৫০০ অনিয়ন্ত্রিত ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।এদিকে স্থানীয় শিশু বিশেষজ্ঞ ডক্টর মুজফফর ঘাংগ্রুকে সিরিঞ্জের মাধ্যমে এইডস ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । পাকিস্তানে সবচেয়ে বেশি এই্চআইভি সংক্রমের শিকার এলাকা সিন্ধু প্রদেশের কর্মকর্তারা এই প্রাদুর্ভাবের কারণ খুঁজতে তদন্ত শুরু করেছে।...


May 22, 2019

সম্পাদকীয়

শেখ হাসিনার দেশ সেবায় ৩৮ বছর

শেখ হাসিনার দেশ সেবায় ৩৮ বছর

নয় মাস পর পাকিস্তানের বন্দি দশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের মাটির স্পর্শ  করে বুক ভরে নিশ্বাস নিয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।বাঙালির জনকের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাও ছয় বছর বাদে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরেছিলেন সামরিক জান্তার রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করেই।খুশির আনন্দ অশ্রু ঝড়িয়ে বাঙালি যেমন বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানিয়েছিল তেমনিভাবেই দেশবাসী শেখ হাসিনাকে বরণ করে নিয়েছিল।পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হারিয়ে শেখ হাসিনা গত ৩৮ বছর ধরে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নিরলসভাবে দেশ গড়ার কাজ করে যাচ্ছেন। এরমাঝে তাঁকেও একাধিকবার হত্যার অপচেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি ভয়কে জয় করে দেশের সেবা করে যাচ্ছেন। এজন্য একাধিকবার দেশে-বিদেশে দুর্লভ সম্মান অর্জন করেছেন।যা বাংলাদেশে বিরল।  প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১৭ জানুয়ারি। এদিন ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণের পর লাখ লাখ লোক তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছিল।সেদিন দেশবাসী বঙ্গবন্ধুর ছায়া দেখতে পেয়েছিলেন শেখ হাসিনার মাঝে। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ঢাকায় নেমেই আপনজনের মঝে ফিরতে পেরে আনন্দে  কেঁদেছিলেন।তেমনি ঢাকায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে মঞ্চে উঠে শেখ হাসিনাও কেঁদেছিলেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে হৃদয়ের আবেগ ঢেলে সেদিন বলেছিলেন, ‘আজকের জনসভায় লাখো চেনামুখ আমি দেখছি। শুধু নেই প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু, মা আর ভাই, আরও অনেক প্রিয়জন। ভাই রাসেল আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। আপা বলে ডাকবে না।সব হারিয়ে আজ আপনারাই আমার আপনজন। স্বামী-সংসার-ছেলে রেখে আপনাদের কাছে এসেছি। বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তির সংগ্রামে অংশ নেয়ার জন্য আমি এসেছি। আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ার জন্য আসিনি।আপনাদের বোন হিসেবে, মেয়ে হিসেবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আবার বাংলার মানুষ শোষণের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হচ্ছে।আমি চাই বাংলার মানুষের মুক্তি। শোষণের মুক্তি। বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বঙ্গবন্ধু সংগ্রাম করেছিলেন। আজ যদি বাংলার মানুষের মুক্তি না আসে তবে আমার কাছে মৃত্যুই শ্রেয়। আমি আপনাদের পাশে থেকে সংগ্রাম করে মরতে চাই।’বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করা হয়। সেদিন শেখ হাসিনা তাঁর ছোট বোন...